সাতকাহন

পর্তুগালে নাগরিকত্ব পাওয়া খুব সহজ। সুযোগ নিতে পারেন আপনিও

portugal immigration

আপনি কি চান ইউরোপ মহাদেশের নাগরিক হতে? তাহলে কোন চিন্তা না করেই আপনি পর্তুগালে নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য চেষ্টা করেন। কারণ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মধ্যে পর্তুগাল অন্যতম উন্নত একটি দেশ।

পর্তুগাল দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। এটি আইবেরীয় উপদ্বীপের পশ্চিম অংশে, স্পেনের দক্ষিণে ও পশ্চিমে অবস্থিত। আটলান্টিক মহাসাগরে দেশটির দীর্ঘ উপকূল রয়েছে। পর্তুগালের রাজধানী হল লিসবন। এটি বিশ্ববিখ্যাত ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ান রোলানদোর দেশ।

ইউরোপে বিভিন্ন দেশে অবৈধভাবে বসবাসরত বাংলাদেশিরা চাইলে পর্তুগালে এসে বৈধতা নিতে পারেন। পর্তুগাল ইমিগ্রেশন থার্ড কান্ট্রি অভিবাসীদের জন্য একটি অভিবাসন আইন চালু করেছে। ইমিগ্রেশন আর্টিকেল নম্বর ৮৮-২ ধারাতে আপনি পর্তুগালের বৈধতা পেতে পারেন তবে শর্ত হচ্ছে আপনাকে ইউরোপ বৈধ পথে এসেছেন তার প্রমাণ দেখাতে হবে। তার মানে আপনি ইউরোপ ভিসা নিয়ে এসেছেন এবং আপনার পাসপোর্টে ইউরোপের যেকোনো এয়ারপোর্টের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের সিল আছে ইত্যাদি প্রমাণাদি দেখাতে হবে। তবে আবার পর্তুগালের বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে নতুন পাসপোর্ট নিয়েও আপনি পর্তুগালের অভিবাসী হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এই ক্ষেত্রে সময় একটু বেশি লাগবে। এ ছাড়া এশিয়ার বিভিন্ন দেশের অধিবাসীদের জন্যও একইরকম সুযোগ রয়েছে।

পর্তুগালের ইমিগ্রেশন আইন অনুযায়ী যে কেউ যদি বৈধভাবে প্রবেশ করে এবং কমপক্ষে ছয় মাস পর্তুগালে অবস্থান করে সরকার নির্ধারিত ট্যাক্স পরিশোধ করে তাহলে সেখানকার রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করতে পারে। কেউ যদি ছয় বছর এই রেসিডেন্সি নিয়ে বসবাস করে এবং তার বিরুদ্ধে কোন ক্রাইমে জড়িত থাকার প্রমাণ না থাকে তাহলে সে পর্তুগিজ ন্যাশনালিটি পেতে পারে’। ইউরোপের অন্যান্য দেশ যেমন ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানিসহ অন্যান্য দেশে যেহেতু নাগরিকত্ব পাওয়াটা অনেক জটিল এবং অনেক দীর্ঘ প্রক্রিয়া কাজেই যারা ইউরোপে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে চায় তারা সাধারণত পর্তুগালকেই বেছে নেয়’। পর্তুগিজ পাসপোর্টধারী বাঙালিদের সংখ্যা অনেক যারা এখন পরিবার নিয়ে যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। তা ছাড়া ব্যবসা বাণিজ্য করাটা ও এখানে অনেক সহজ বিধায় বাংলাদেশিরা এখানে সহজেই নাগরিকত্ব পাওয়ার আগ পর্যন্ত থাকতে পারে আর এই কারণেই মূলত এখানে বাংলাদেশিরা অভিবাসী হয়।

ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় ইউরোপে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নতুন ঠিকানা হয়ে উঠছে পর্তুগাল। আর মন্দা কাটিয়ে ওঠায় নতুন করে সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থানের সুযোগও। একে নতুন সুযোগ হিসেবে দেখছেন পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ইমতিয়াজ আহমেদ। তার মতে, খরচ ও মানের বিবেচনায় পর্তুগাল হতে পারে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের আশ্রয়।

পর্তুগিজদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ইতিহাস বলছে, ভাস্কো দ্যা গামার পথ ধরে ষোড়ষ শতাব্দীর শুরুর দিকে বাংলাদেশে আসে পর্তুগিজরা। এদেশে বসতি গড়া পর্তুগিজদের হাতে যেমন ‘চট্টগ্রাম বন্দর’ তৈরি হয়েছিলো তেমনি বাংলাদেশে খ্রীস্ট ধর্মের শুরুও হয়েছিলো তাদেরই হাতে। সম্পর্ক এতটাই গভীর ছিলো যে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৫শ পর্তুগিজ শব্দ ব্যবহার হয় বাংলা ভাষায়।

এরপর সম্পর্কে ছেদ পরে। যদিও একটু দেরীতে হলেও সেই সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ।পর্তুগালে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাসের কার্যক্রম।এগিয়ে আসছেন নতুন নতুন উদ্যোক্তাও।

পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, ইউরোপে এখন পর্তুগালের সবচেয়ে সহজ ইমিগ্রেশন পলিসি। এই সহজ ইমিগ্রেশন পলিসির জন্য যারা অবৈধভাবে ইউরোপে এসেছে বা বৈধভাবে এসে অবৈধ হয়ে গেছেন বা বিভিন্ন কারণে যারা এখনো লিগাল স্ট্যাস্টাস পায়নি তাদের জন্য পর্তুগালে একটি সুযোগ আছে। এবং সে কারণেই দেখেছি গত এক বছরে পর্তুগালে অনেক লোক আসছে।

দীর্ঘদিন ধরে থাকা পর্তুগালে প্রবাসী ব্যবসায়ী সাহেদ ইব্রাহিম নবী বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কৃষক পর্তুগালে নিয়ে আসবে। পর্তুগাল ও ইউরোপ এমন একটি দেশ যেখানে ঝামেলা ছাড়াই বাংলাদেশীরা সহজেই থাকতে পারবেন।

ইউরোপের মধ্যে পর্তুগালই দিচ্ছে বৈধ উপায়ে অভিবাসী হওয়ার সুযোগ। সে কারণেই এরই মধ্যে নানা দেশ থেকে পর্তুগালে ছুটছে বাংলাদেশীরা। রাষ্ট্রদূত বলেন, তাদের চেষ্টা শুধু মানুষে-মানুষে সম্পর্ক নয় বরং বাণিজ্য বৃদ্ধি।

এ বিষয়ে পর্তুগালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে বা মালয়েশিয়ার আমাদের শ্রমিকরা যেভাবে আছেন তার চেয়ে খুব ভালো অবস্থায় পর্তুগালে থাকতে পারবেন শ্রমিকরা। এছাড়া শিক্ষার মান ও খরচের বিচারে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের স্বর্গ হয়ে উঠতে পারে পর্তুগালে।

পর্তুগালে নাগরিত্ব পেতে যা করতে হবে:

নিচের শর্তাবলী গুলো ভালো করে লক্ষ্য করুণ এবং এই শর্তাবলী পুরনের ফলে আপনারা যেকেউ পর্তুগালে বৈধ হতে পারবেন।

১- আপনাকে ইউরোপে বৈধভাবে প্রবেশ করেছেন তার প্রমানাধি দেখাতে হবে অর্থাৎ আপনাকে ইউরোপের সেঞ্জেন ভুক্ত যেকোনো দেশের ভিসা নিয়ে ইউরোপে প্রবেশ করতে হবে। (তবে সাইপ্রাস, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, ইউকে, আয়ারল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া এই দেশসমুহের ভিসা বাদে)

২- আর সেনজেন ভুক্ত দেশ থেকে আপনি পর্তুগালে বৈধভাবে প্রবেশ করেছেন যেমন বিমানের টিকেট, মাসের টিকেট বা ট্রেনের টিকেট ইত্যাদি দেখাতে হবে (যদিও ইমিগ্রেশন থেকে আগে এইসব চাইত না কিন্তু এখন এইসব বাধ্যতামূলক লাগবে।

৩- পর্তুগাল প্রবেশের পর আপনাকে নিজস্ব আইডেনটিফীকেশান (পাসপোর্ট) দেখিয়ে ট্যাক্স অফিস থেকে ট্যাক্স কার্ড করিয়ে নিতে হবে। পর্তুগিজ ট্যাক্স নাম্বার . এটাকে NIF বলা হয়ে থাকে . -Número de Indentificação Fiscal (NIF) (খরচ পড়বে ১০.২০ ইউরো) তবে সাথে পর্তুগালে যেকোনো বৈধ ব্যাক্তির রেফারেন্স লাগবে অর্থাৎ ট্যাক্স কার্ড করতে যাদের পর্তুগাল রেসিডেন্স কার্ড আছে তাকে সাথে যেতে হবে। অন্যথায় একজন উকিল এর সাহায্য নিতে পারেন যার জন্য আপনাকে ১৫০ ইউরোর মতো গুনতে হতে পারে।

৪- মেইন প্রসিডিউর হিসাবে পর্তুগালে আপনাকে বৈধ ভাবে প্রবেশের পর জব/কাজের কন্ট্রাক্ট দেখাতে হবে মিনিমাম ৬ মাসের। আর পর্তুগালে এই জব কন্ট্রাক্ট মেনেজ করা অনেকটা দুস্কর বলা চলে। নরমালি কাগজের জন্য এই জব কন্ট্রাক্ট টাকা দিয়ে বাঙালি, পাকিস্তানি, ইন্ডিয়ান, আফ্রিকানদের কাছ থেকে কিনতে হয়। সে ক্ষেত্রে টাকার পরিমান ২০০০-২৫০০ ইউরো পর্যন্ত হয়ে থাকে (ক্ষেত্র বেধে কম বেশি হয়ে থাকে) যদি আপনার কোন বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজন আপনাকে হেল্প করে জব কন্টাক্টে তাহলে এই টাকার খরচ থেকে বেঁচে যাবেন নিসন্দেহে।

৫- পর্তুগিজ social security number যা সংক্ষেপে NISS বলা হয়ে থাকে (.Número de Identificação de Segurança Social -NISS ) এটা আপনি যখন পর্তুগালে কোন মালিকের অধীনে কাজ করবেন বা যেকোনো দেশের মালিকের কাছ থেকে কাজের কন্ট্রাক্ট করালে এই নাম্বার পারেন।

৬- জব কন্ট্রাক্ট হাতে পাবার পর প্রত্যেক মাসে আপনাকে নিজের পকেট থেকে ১৭৫.৪৯ ইউরো ( মিনিমাম সেলারি ৫০৫ ইউরো এর জন্য এই ট্যাক্স ,তবে সেলারি বেশি দেখালে ট্যাক্স এর পরিমান বেশি হবে ) করে গুনতে হবে। নরমাল হিসাব হল আপনাকে পেপারস হবার আগ পর্যন্ত ট্যাক্স পে করতে হবে। আপনি শুদু মাত্র পেপারস পাবার জন্য কাগজে কলমে জব দেখাবেন অরিজিনালি আপনি নিজের পকেট থেকে সব টাকা খরচ করছেন। পর্তুগীজদের অধীনে জব পেলে এই সব টাকা সেভ হয়ে যাবে কিন্তু দুঃখের বিষয় পর্তুগালে অবৈধ অবস্থায় স্পেশাল কোন লিঙ্ক ছাড়া প্রাথমিক অবস্থায় পর্তুগীজ জব পাবেন না , আর ভাষাগত একটা প্রবলেম তঁ থেকেই যায়।

৭- নরমালি যারা সেনজেন ভুক্ত দেশের ভিসা নিয়ে পর্তুগাল প্রবেশ করবে তারা মিনিমাম ৬ টা ট্যাক্স দেয়ার পর ইমিগ্রেশনে রেসিডেন্স পারমিট এর জন্য আবেদন করতে পারবে। সব ডকুমেন্টস ঠিক থাকলে কপাল অতিশয় ভাল হলে ৬ টা ট্যাক্স দিয়েই রেসিডেন্স পারমিট পেয়ে যার তবে আবার অনেকের ক্ষেত্রে ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায়। আর যারা বিশেষ করে ভিসা ছাড়া অর্থাৎ সাদা পাসপোর্ট নিয়ে পর্তুগাল প্রবেশ করেছেন তারা ২০১৩ সালের আগে পর্যন্ত রেসিডেন্স পেতে লিগ্যালভাবে পর্তুগালে অনেক সময় লেগে যেত কিন্তু ২০১৪ সাল থেকে সেই আইনে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে পর্তুগীজ বর্ডার অ্যান্ড ফরেইনার সার্ভিস (http://www.sef.pt/) ২০১৩ সালের আগে সাদা পাসপোর্টে এন্ট্রি যাদের পর্তুগালে তারা মিনিমাম ১৮-২৪ মাস ট্যাক্স পে করতে হত যা বর্তমানে ১২ থেকে ১৮ তে পরিবর্তন করা হয়েছে । এখন ভিসা ছাড়া যারা যারা পর্তুগালে পেপারস করতে চান তারা এই সুত্র অনুসরন করতে হবে অর্থাৎ আপনাকে মিনিমাম ১২-১৮ টি ট্যাক্স পে করে রেসিডেন্স পারমিট এর জন্য আবেদন করতে হবে ।

৮- আরও কিছু ডকুমেন্টস লাগবে সেই বিষয় গুলো এখানে আলাদা ভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হল। বাংলাদেশী পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রলায় থেকে সত্যায়িত করে আনার পর পর্তুগিজ ভাষায় অনুবাদ করে বাংলাদেশ এম্বেসী অফ লিসবন থেকে সত্যায়িত করতে হবে। পর্তুগাল এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট + ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট। ২ টা সার্টিফিকেটই একই অফিস থেকে তুলতে হয়। পর্তুগালের লিসবনে Loja do cidadão নামে একটা অফিস আছে ওই অফিস থেকে ওই সার্টিফিকেট ২ টা তুলতে পারবেন। ২ টার জন্য ১২ ইউরো খরচ হবে। আপনি যদি অন্য কোন দেশে ৬ মাসের বেশি অবস্থা করেন যেমন লন্ডন, সাইপ্রাস আয়ারল্যান্ড রোমানিয়া এই সকল দেশে ছাত্র ছিলেন পরে সেনজেন ভিসা নিয়ে ইউরোপ ডুকেছেন তাদের ক্ষেত্রে যে যেই দেশে অবস্থা করেছেন ওই ওই দেশের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে বাধ্যতামূলক। কিংবা ইতালিয়ান ভিসা নিয়ে ইতালি এসেছেন ৬ মাসের ও বেশি সময় ইতালি কাটিয়েছেন তাদের ক্ষেত্রেও ইতালিয়ান পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট লাগবে। অন্য কোন ভাষায় হলে সেটা কে ট্রান্সলেট করে শুধু নোটারি করতে হবে। আপনি যে ৬ টি ট্যাক্স প্রদান করেছেন সেটার সার্টিফিকেট যা Social security office থেকে আপনি যতবার খুশি বিনা পয়সায় তুলতে পারবেন। তবে সেটার জন্য লম্বা লাইন দাড়াতে হবে। Proof of address আপনি যে মিউনিসিপালিটি তে থাকেন সেখান থেকে এই সার্টিফিকেট টা নিতে হবে . junta de freguesia এই অফিস থেকে নিতে হবে। আপনি যে এরিয়াতে থাকেন ওই খানকার junta de ফ্রেগুএসিয়া থেকে নিতে ১০ ইউরো খরচ পড়বে। তবে ৩ দিন আগে আবেদন করতে হবে। এক দিনে ও নিতে পারেন তবে ৩০ ইউরো চার্জ দিতে হবে।

৯- আপনার ফাইল ইমিগ্রেশন পোর্টালে এন্ট্রি করার পর আপনাকে একটা আই.ডি ও গোপন নম্বর দেয়া হবে . ওই নম্বর ও আইডি নির্দিষ্ট জায়গায় (www.sef.pt) প্রবেশ করে আপনি আপনার ফাইল চেক করতে পারবেন। এরা যদি আপনাকে ইন্টারভিউ এর তারিখ দেয় তাহলে ও আপনি দেখতে পাবেন। সাধারণত অনলাইন তারিখ প্রদানের পর ঠিক ওই দিন ই ইমিগ্রেশন থেকে আপনাকে কল করবে। ইন্টারভিউ এর তারিখ পাওয়ার পর উপরোক্ত ডকুমেন্টস সহ টাইম মত ইমিগ্রেশন অফিস এ হাজির হতে হবে। তখন তারা যদি সব ডকুমেন্টস দেখে ওকে মনে করে তাহলে ফিঙ্গার প্রিন্ট নিয়ে নিবে রেসিডেন্স পারমিট এর জন্য। ঠিক ওই সময়টাতে আপনাকে ৮৯০ ইউরো অ্যাপলিকেশন ফি দিতে হবে ইমিগ্রেশন অফিস কে। যেহেতু আপনি ভাষা পুরোপুরি আয়ত্তে আনতে পারবেন না তাই আপনার সাথে একজন ল ইয়ার (উকিল) সাথে নিয়ে যাওয়া ভাল। উকিল আপনার কাছ থেকে আপনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল পরামর্শ ও কাজ করে দিবে চার্জ নিবে ২০০-৩০০ ইউরো।

শেষ করার আগে পর্তুগাল রেসিডেন্স পারমিট পেতে হলে কত খরচ হবে তার একটা ছক বা হিসাব দিয়ে দেই। ট্যাক্স কার্ড করতে ১০.২০ ইউরো (উকিল এর সাহায্য নিলে ১৫০ ইউরো ) জব কন্ট্রাক্ট ২০০০-২৫০০ ইউরো, ট্যাক্স প্রতি মাসে ১৭৫. ৪৯ ইউরো (মিনিমাম ৬-১০ মাস পে করতে হবে ধরে রাখেন যাদের পাসপোর্টে ভিসা রয়েছে), ইমিগ্রেশন ফি ৮৯০ ইউরো, উকিল এর ফি ৩০০ ইউরো, লিভিং এক্সপেন্স ২০০ ইউরো প্রতি মাসে ।

Comments

Please comments

Copyright © 2016 BanglaMag.

শীর্ষে